Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /homepages/19/d650279470/htdocs/app653499953/wp-includes/post-template.php on line 284

Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /homepages/19/d650279470/htdocs/app653499953/wp-includes/post-template.php on line 284

Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /homepages/19/d650279470/htdocs/app653499953/wp-includes/post-template.php on line 284

Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /homepages/19/d650279470/htdocs/app653499953/wp-includes/post-template.php on line 284

«

»

জুলাই 05

HSC English Text Reading – Lecture 14

Unit-5     Lesson-6    Text Book page no- 69
His name was Jerry……

[কোর্সের মূল পাতা | নিবন্ধনের লিংক]

 

বিষয়বস্তু
ধূসরনীল চোখের স্বাধীনচেতা ছেলে জেরীর ছিল ইন্টিগ্রীটি নামের বিরল গুণ। এটা হচ্ছে সাহস কিন্তু সাহসিকতার চেয়ে বেশী কিছু। সৎ কিন্তু সততার চাইতে বেশী কিছু। একদিন কাঠ কাটার সময় কুড়ালের হাতল ভেঙ্গে গেলে লেখিকা তা মেরামত করিয়ে আনার জন্য জেরীকে টাকা দিতে চান। জেরী টাকা নিতে অস্বীকার করে। সে বলে যে, তার নিজের অসাবধানতার কারণে হাতলটি ভেঙ্গেছে। সে তার নির্ধারিত কাজের বাইরেও লেখিকার জন্য বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ কিছু অতিরিক্ত কাজ করে দিত। জেরীকে লেখিকা কিছু উপহার দিলে জেরী মুখে ধন্যবাদ বলত না কিন্তু তার ভাবভঙ্গির মধ্যেই কৃতজ্ঞতা ফুটে উঠত। তার কোমল মধুর গুণাবলী তার দৃঢ় চরিত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল।

লেকচার
“জেরী” শিরোনামের এই গল্পাংশটি ঔপন্যাসিক এম. কে. রাওলিংসের লেখা ছোটগল্প ‘এ মাদার ইন ম্যানভিল’ থেকে নেয়া। এই গল্পাংশটিতে লেখিকা জেরী নামের ১২ বছরের একটি ছেলের ব্যক্তিত্বের প্রত্যক্ষ বর্ণনা দিয়েছেন। জেরী ছিল মিষ্টি চেহারার স্বাধীনচেতা এক ছেলে। তার ছিল Integrity নামের বিরল গুণ। Integrity হচ্ছে সাহস কিন্তু তা সাহসিকতার চাইতে বেশী কিছু। সাহসের সাথে প্রদর্শনকামীতার সংযোগ থাকে। অর্থাৎ সাহস প্রদর্শনের সাথে প্রশংসা পাবার ইচ্ছাটি জড়িত থাকে। কিন্তু Integrity হচ্ছে বিশেষ ধরনের সাহস যেখানে প্রশংসা পাবার কোনো ইচ্ছা থাকে না। Integrity হচ্ছে সত্যের খাতিরে সত্যকে প্রকাশ করা বা মেনে নেয়ার সাহস। জেরীর সে ধরনের সাহস ছিল। লেখিকা যেমন বলেছেন, “সে ছিল এক সতর্ক কর্মী। যদি সে কাজে ব্যর্থ হতো তবে সে কোনো অজুহাত ছাড়াই ব্যর্থতার দায়িত্ব স্বীকার করত।” অর্থাৎ কোনো অজুহাত ছাড়াই সত্যকে স্বীকার করত। আবার বলা হয় Integrity হচ্ছে সততার চাইতেও বেশী কিছু। লেখিকার জন্য কাঠ কাটতে গিয়ে যখন কুড়ালের হাতল ভেঙ্গে গেল তখন লেখিকা কুড়াল সারিয়ে আনার জন্য জেরীকে টাকা দিতে চান। জেরী বলে যে, কাজের সময় তার নিজের অসতর্কতার কারণেই কুড়লের হাতল ভেঙ্গেছে তাই ওটা সারানোর খরচ সে নিজেই দেবে। উত্তরে লেখিকা জেরীকে বলেন যে, কাঠ কাটার সময় কেউই প্রত্যেকবার সঠিকভবে আঘাত করতে পারে না। তাছাড়া কুড়ালের হাতলের কাঠটি দূর্বল ছিল। লেখিকা শুধুই জেরীকে শান্ত করার জন্য একথা বলেন নি। কাঠ কাটতে গেলে কুড়ালের হাতল হঠাৎ ভেঙ্গে যেতেই পারে এটা যুক্তির কথা, বিশেষ করে যেখানে কুড়ালের হাতল দূর্বল ছিল। এভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার গ্রহণযোগ্য যুক্তি থাকা সত্বেও জেরী সে সুযোগ নেয় নি। কারণ সে মনে মনে জানে যে, সত্যিসত্যিই তার এক মূহুর্তের অসতর্কতার কারণেই হাতলটি ভেঙ্গেছে। জেরী এতটা মনোযোগের সাথে কাজ করতো যে কাজ করতে করতে ঠিক কোন্ মূহুর্তে সে অসতর্ক হয়ে পড়েছিল তা অন্যেরা না জানলেও জেরীর নিজের কাছেই তা ধরা পড়েছে। এরই নাম Integrity যা সততার চাইতেও বেশী কিছু। অন্যের কাছে সৎ থাকার নাম ‘সততা’ বা Honesty আর নিজের মনের কাছে সৎ থাকার নাম Integrity।
জেরীর ছিল একটা উদার মন। লেখিকার ভৃত্য হিসেবে সে নিজ দায়িত্বের বাইরেও লেখিকার জন্য দরকারী অনেক কাজ নিজের বুদ্ধিতে করে দিত। বিনিময়ে লেখিকা তাকে ক্যান্ডি বা আপেল উপহার দিলে জেরী কখনও ‘ধন্যবাদ’ কথাটি বলত না। লেখিকার কাছে মনে হয়েছে জেরীর কৃতজ্ঞতা ছিল আন্তরিক ও স্বভাবগত। আনুষ্ঠানিক ‘ধন্যবাদ’ কথাটির মূল্য জেরীর কাছে ছিল না। জেরী ছিল খাঁটি স্বভাবের এক ছেলে। এ ইউনিটের লেসনগুলিতে গল্পের মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছে।

Main Text:
His name was Jerry; he had been at the orphanage since he was four. I could picture him at four, with the same grave gray-blue eyes and the same-independence? No, he word that comes to me is ‘integrity.’ It is embedded on courage, but it is more than brave. It is honest, but it is more than honesty. The axe handle broke one day. Jerry said the orphanage woodshop would repair it. I brought money to pay for the job and he refused it. “I’ll pay for it, “He said, “I brought the axe down careless.” “But no one hits accurately every time”, I told him, “The fault was in the handle.” It was only then he would take the money. He was standing back of his own carelessness. He was a freewill agent and he chose to do careful work; and if he failed, he took the responsibility without subterfuge. And he did for me the unnecessary thing, the gracious thing that we find done only by the great of heart. Things no training can teach, for they are done on the instant, with no predicated experience. He found a cubbyhole beside the fireplace that I had not noticed. There, of his own accord, he put wood, so that I might always have dry fire material ready in case of sudden wet weather. A stone was loose in the rough walk to the cabin. He dug a deeper hole and steadied it, although he came, himself, by a shortcut over the bank. I found that when I tired to return his thoughtfulness with such things as candy and apples, he was wordless. “Thank you” was, perhaps, an expression for which he had had no use, for his courtesy was instinctive. He only looked at the gift and at me, and a curtain lifted, so that I saw deeper into the clear well of his eyes; and gratitude was there, and affection, soft over the firm granite of his character.

Comments

comments

About the author

ফিরোজ আহমেদ

আমি ফিরোজ আহমেদ। অবস্থান- বগুড়া শহর, বগুড়া, বাংলাদেশ। এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি তে সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডসহ ইংরেজী সাহিত্যে অনার্সসহ মাস্টার্স করেছি। “এ্যাপ্লাইড ইংলিশ পয়েন্ট”- নামে ইংরেজী শিক্ষার প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। পাঠ্য সহায়ক পুস্তক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সাথে খন্ডকালীন লেখক হিসেবে জড়িত। সাহিত্য বিষয়ের সমালোচনামূলক পাঠপত্রের ভক্ত। সৃষ্টিশীল লেখালেখিতে আগ্রহী। বাংলাদেশের একাডেমিক পড়াশুনাতে মাল্টিমিডিয়া এবং আইটি সুবিধাদির ব্যাপক প্রসার হোক এটাই আমার একান্ত চাওয়া।

Leave a Reply