Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /homepages/19/d650279470/htdocs/app653499953/wp-includes/post-template.php on line 284

Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /homepages/19/d650279470/htdocs/app653499953/wp-includes/post-template.php on line 284

Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /homepages/19/d650279470/htdocs/app653499953/wp-includes/post-template.php on line 284

Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /homepages/19/d650279470/htdocs/app653499953/wp-includes/post-template.php on line 284

«

»

আগস্ট 29

HSC English Text Reading – Lecture 3


Unit-1 Lesson-3 Text Book page no- 07 -একটি কেনীয় পরিবার

[কোর্সের মূল পাতা | নিবন্ধনের লিংক]

লেকচার ভিডিও

ডাউনলোড করে নিতে পারেন অডিও ফরম্যাটে এখান থেকে – [MP3] [MP4] [PDF]

 

Unit-1 Lesson-3 Text Book page no- 07

বিষয়বস্তু
উপজাতিপ্রধান আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায় পূর্বে ছিল বহুবিবাহ প্রথা। বর্তমানে আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে একবিবাহ প্রথা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। গ্রামে এখনও অনেক বহুবিবাহ পরিবার দেখা যায়। শহরবাসীরা একবিবাহ পরিবারে বাস করে। তারা কেউ কেউ অতীতের সমস্ত বন্ধন ছিন্ন করেছে। অনেকেই আবার শহরবাসী হয়েও গ্রামের বহুবিবাহ পরিবারের সাথে সম্পর্ক রেখে চলেছে। এটি তাদের মনে দ্বন্দ্ব তৈরী করছে।

লেকচার
শিক্ষাদীক্ষায় পশ্চাদপদ কালো মানুষের মহাদেশ আফ্রিকা। সেই আফ্রিকা মহাদেশের আরও পশ্চাদপদ অঞ্চলের একটি দেশ কেনিয়া যেখানে সমাজব্যবস্থা পূর্বের উপজাতীয় চরিত্র ভেঙ্গে ধীরে ধীরে জাতীয় চরিত্র লাভ করছে। কেনিয়া একটি দেশ হলেও পূর্বে উপজাতীয় গোত্রগুলি নিজস্ব নিয়ম কানুন দ্বারা শাসিত ও চালিত হতো। গোত্রগুলির মধ্যে অন্য কোনো বিষয়ে মিল না থাকলেও একটি বিষয়ে মিল ছিল। তা হলো বহুবিবাহ প্রথা। প্রত্যেক গোত্রে নিজেদের মধ্যে বহুববিাহ প্রথা চালু ছিল। দেখা যেত একজন লোক, তার কয়েকজন স্ত্রী, সেই স্ত্রীদের সন্তান-সন্ততি, সেই সন্তানদের কয়েকজন করে স্ত্রী, পুনরায় সেই স্ত্রীদের সন্তানাদি মিলে একটি পাড়া গড়ে উঠত। একটি পরিবার মিলে একটি পাড়া গড়ে উঠত। বিপুল বিস্তৃত এই পারিবারিক কাঠামোগুলি রক্তের সম্পর্কের কারণে একটা গোত্রগত বন্ধন অনুভব করত। এই বন্ধনই তাদেরকে গোত্রগত স্বাতন্ত্র্য এবং গোত্রের কঠোর নিয়ম কানুন মেনে চলতে উৎসাহ যোগাতো। আবার গোত্রের শক্তিবৃদ্ধি করতেই বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে বহুবিবাহ প্রথা প্রতিযোগিতার রূপ নিয়েছিল। গোত্র ব্যবস্থা আর বহুবিবাহ ব্যবস্থা যেন একচক্রে গাঁথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে বর্হিবিশ্বের সংস্পর্শে এসে, শিক্ষাদীক্ষার আলোকে, সর্বোপরি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দাবী পূরণ করতেই যেন বিভিন্ন উপজাতীয় গোত্রগুলি মিলমিশ হয়ে একটি জাতীয় সমাজ গঠনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ফলে বহুবিবাহের প্রেরণার উৎস যে গোত্র ব্যবস্থা তা মার খেয়ে যাচ্ছে। মানুষ সেখানে আধুনিক হয়ে উঠার প্রচেষ্টায় বহুবিবাহকে প্রত্যাখ্যান করছে। ফলে রাষ্ট্রের প্রয়োজনেই কেনিয়াতে প্রাচীন উপজাতীয় সমাজ ভেঙ্গে একটি জাতীয় সমাজ গঠনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই প্রকৃয়ার ফল হিসেবে সেখানে দুই ধরনের পরিবার দেখা যায়- প্রাচীন বহুবিবাহ পরিবার এবং আধুনিক একবিবাহ পরিবার।
এখানে আমরা জানতে পারি স্ত্রীর সংখ্যার ভিত্তিতে পরিবার দুই ধরনের যথাঃ একবিবাহ পরিবার ও বহুবিবাহ পরিবার। এখানে গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আরও দেখা যাবে একটি প্রাচীন সমাজব্যবস্থা কি কি কারণে ভেঙ্গে গিয়ে নতুন রূপে গঠিত হয়। সেই ভাঙ্গগড়ার প্রভাব পারিবারিক ব্যবস্থাকেও বদলে দেয়।

Main Text:
In the past, the common form of marriage among the various cultural groups in Kenya was polygamy and the polygamous families were embedded in extended family units consisting of a man, his several wives and their married sons and children. But in line with the modern world, things are now changing there. The old custom of polygamous marriage is yielding to the new practice of monogamy, although many polygamous families can still be found in the rural areas of Kenya. Many monogamous Kenyans are now living in nuclear families with their single spouses and their children. Many of them have given up their pastoral lives and have become wage earners in cities. But they can hardly give up their extended family and lineage connections back in their village. Some families have to maintain two households, one in their extended family home in the village and the other in the city. This often poses a dilemma for them.

Comments

comments

About the author

ফিরোজ আহমেদ

আমি ফিরোজ আহমেদ। অবস্থান- বগুড়া শহর, বগুড়া, বাংলাদেশ। এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি তে সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডসহ ইংরেজী সাহিত্যে অনার্সসহ মাস্টার্স করেছি। “এ্যাপ্লাইড ইংলিশ পয়েন্ট”- নামে ইংরেজী শিক্ষার প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। পাঠ্য সহায়ক পুস্তক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সাথে খন্ডকালীন লেখক হিসেবে জড়িত। সাহিত্য বিষয়ের সমালোচনামূলক পাঠপত্রের ভক্ত। সৃষ্টিশীল লেখালেখিতে আগ্রহী। বাংলাদেশের একাডেমিক পড়াশুনাতে মাল্টিমিডিয়া এবং আইটি সুবিধাদির ব্যাপক প্রসার হোক এটাই আমার একান্ত চাওয়া।

Leave a Reply