«

»

সেপ্টে. 13

তড়িৎকৌশল পরিচিতি – লেকচার ৩

 

কোর্স পরিচিতি ও নিবন্ধনের ফর্ম।

 

আপডেট: ইউটিউবে দেখতে না পেলে লেকচারের ভিডিও আছে এখানেও

 

দুঃখ প্রকাশ:

পেশাগত ভয়ানক ব্যস্ততার কারণে গত সপ্তাহে  লেকচার ৩ আপলোড করতে পারিনি বলে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। পরবর্তী লেকচারও এক সপ্তাহ পেছাতে বাধ্য হচ্ছি। লেকচার ৪ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। 🙁

 

 

তড়িৎকৌশলে মূল উপকরণ বলতে রেসিস্টরের পরেই আসবে  ক্যাপাসিটর ও ইন্ডাক্টরের নাম।  এই সেশনে আমরা ক্যাপাসিটর ও ইন্ডাক্টর নিয়ে কথা বলব।

 

 

ভুল সংশোধন: ক্যাপাসিটর অ্যাপ্লেট এর উদাহরণে আমি মিলি ফ্যারাড কে ভুলবশত: মাইক্রোফ্যারাড বলেছি। উদাহরণে ব্যবহৃত ক্যাপাসিটরটি হল ১০০ মিলি ফ্যারাড।

 

 

 

 

 

 

ক্যাপাসিটর:

 

ক্যাপাসিটরে শক্তি সঞ্চয় করা হয় ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক ফিল্ডের মধ্যে। ভোল্টেজ অ্যাপ্লাই করা হলে ক্যাপাসিটরের ভোল্টেজ উৎসের ভোল্টেজের সমান হওয়া পর্যন্ত ক্যাপাসিটর “চার্জ” হয়।

ক্যাপাসিটর হঠাৎ ভোল্টেজ এর পরিবর্তনে বাধা দেয়।

 

গঠন: 

 

ক্যাপাসিটর তৈরি করার জন্য সাধারণত দুইটি পরিবাহককে একটা বিদ্যুৎ অপরিবাহী দিয়ে আলাদা করা হয়। এই অপরিবাহীকে বলা হয় ডাই-ইলেক্ট্রিক। এই পৃথককৃত দুই পরিবাহকে সমান ও বিপরীতধর্মী চার্জ বা আধান থাকে, যার কারণে ভোল্টেজ অ্যাপ্লাই করা হলে ডাই-ইলেক্ট্রিকের মধ্যে একটি ইলেক্ট্রিক ফিল্ড তৈরি হয়। এই ফিল্ড শক্তি সঞ্চয় করে।

ব্যবহার:  ক্যাপাসিটর ফিল্টার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ভোল্টেজ সার্জ কমাতে এবং পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশনের জন্যেও ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

সিরিজ ক্যাপাসিটর: (সিরিজ রেসিস্টরের উল্টো)

প্যারালাল ক্যাপাসিটর: (সিরিজ রেসিস্টরের উল্টো)

 

 

ইন্ডাক্টর:

ইন্ডাক্টরও ব্যবহার হয়ে শক্তি সঞ্চয় করতে। কিন্তু ইন্ডাক্টরে শক্তি সঞ্চিত হয় ম্যাগনেটিক ফিল্ডে।

ইন্ডাক্টর হঠাৎ কারেন্ট এর পরিবর্তনে বাধা দেয়।

 

গঠন: ইন্ডাক্টর তৈরি করা হয় একটি পরিবাহককে পেঁচিয়ে একটা কয়েল তৈরি করার মাধ্যমে। কয়েল এর মাঝের অংশকে বলা হয় “কোর”; এই কোর তৈরি করা হয় বাতাস অথবা ফেরোম্যাগনেটিক অথবা ফেরিম্যাগনেটিক পদার্থ (যেমন ম্যাগনেটাইট) ব্যবহার করে।  এই প্যাঁচানো কয়েলএর মধ্যে দিয়ে যখন কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন কয়েলের মধ্যে একটা ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয়। এই ম্যাগনেটিক ফিল্ডে শক্তি সঞ্চিত হয়।

 

ব্যবহার:  ইন্ডাক্টর ফিল্টার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কারেন্টের সার্জ কমাতে এবং নয়েজ রিডাকশন (যেমন ফেরাইট বিড) ইত্যাদিতেও ইন্ডাক্টর ব্যবহার করা হয়।

 

সিরিজ ইন্ডাক্টর: (সিরিজ রেসিস্টরের মতই)

প্যারালাল ইন্ডাক্টর: (প্যারালাল রেসিস্টরের মতই)

 

কুইজ – ৩ কুইজে অংশ নিতে হলে এখানে ক্লিক করুন অথবা নিচের ফর্মে সরাসরি কুইজটির জবাব দিন।

 

শিক্ষক.কম সাইটে তড়িৎ কৌশল পরিচিতি কোর্সের কুইজ-২

ইমেইল অ্যাড্রেস ঠিক আছে কিনা লক্ষ্য করুন।
* Required
    This is a required question
    This is a required question
    This is a required question
    This is a required question
    This is a required question
    This is a required question
    This is a required question
    Never submit passwords through Google Forms.

Comments

comments

About the author

ডেভিড বিশ্বাস

পেশায় আমি তড়িৎ প্রকৌশলী। পড়াশোনা তড়িৎ প্রকৌশলের কন্ট্রোল (নিয়ন্ত্রন) , কমিউনিকেশন (যোগাযোগ) এবং সিগন্যাল প্রসেসিং (সংকেত নিয়ন্ত্রন) শাখায় হলেও বর্তমানে আমি একটি পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিতে বিদ্যুত বন্টন ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির নির্ভরশীলতা (Reliability) নিয়ে কাজ করছি।

এই সংক্ষিপ্ত কোর্সে আমি তড়িৎ প্রকৌশলের খুবই প্রাথমিক কিছু ধারণা ও উপকরণ তুলে ধরবার চেষ্টা করবো।

4 pings

    Leave a Reply